CallAdoctorbd

চোখে ছানি পড়া রোগ কি, চোখে ছানি কেন পড়ে, চোখে ছানি পড়ার লক্ষণ ও চিকিৎসা

  • 12 Aug 2020
  • 0 Comments
  • Disease

চোখে ছানি পড়া রোগ কি? 

আমাদের চোখে স্বচ্ছ একটি লেন্স বা দর্পণ রয়েছে। যার ভেতর দিয়ে আলো গিয়ে চোখের পেছনের রেটিনায় বা দৃষ্টি সংবেদনশীল অংশে গিয়ে পড়ে এবং দৃষ্টির অনুভূতি তৈরি হয়।
কাচ যেমন অস্বচ্ছ হয়ে গেলে আর কাচের ভেতর দিয়ে কোনো কিছু দেখা যায় না, তেমনি চোখের লেন্স যদি অস্বচ্ছ হয়ে যায়, চোখের দৃষ্টিশক্তি ধীরে ধীরে লোপ পেতে থাকে। ছানি রোগ হলো আমাদের দেশের রিভারসিবল বা নিবারণযোগ্য অন্ধত্বের প্রধান কারণ।


চোখে ছানি কেন পড়ে? 

যেকোনো বয়সেই ছানি হতে পারে, তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ছানি বার্ধক্যজনিত ব্যাধি। বিশেষ করে ষাটোর্ধ্ব বয়সীদের চোখে ছানি পড়ে বেশি। আবার সেকেন্ডারি অনেক কারণে, বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের ছানি হওয়ার আশঙ্কা অন্যদের তুলনায় প্রায় ছয় গুণ বেশি। তাঁদের ৪০ বা ৫০ বছরের মধ্যেই ছানি পড়তে পারে।

গর্ভকালীন মায়ের হাম (জার্মান মিজেলস বা রুবেলা) হলে, মা অপুষ্টিতে ভুগলে বা ডায়াবেটিস হলে, টোক্সোপ্লাজমা জাতীয় ভাইরাস আক্রমণ করলে বা শিশুর গঠনপ্রক্রিয়ায় কোনো ত্রুটি থাকলে কনজেনিটাল ক্যাটার‌্যাক্ট বা জন্মগত ছানি হতে পারে।

এ ছাড়া আঘাতজনিত কারণ, হাই মায়োপিয়া বা অতিমাত্রায় নিকট দৃষ্টিজনিত সমস্যা, চর্মরোগ, হরমোনাল কারণ, মেটাবলিক সমস্যাসহ বিভিন্ন কারণে চোখে ছানি পড়ে। চোখের প্রদাহ, অ্যালার্জি, হাঁপানি কিংবা যেকোনো কারণে ব্যথানাশক স্টেরয়েড জাতীয় কিছু ওষুধ, ড্রপ ব্যবহার, রেডিয়েশন, কেমোথেরাপি ইত্যাদির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও ছানি হয়।সাধারনত যে কারণ গুলোর  কারণে ছানি পড়ে তা হল ঃ 

১। জন্মগত ভাবে: একটা ভ্রূণ যখন মায়ের পেটে বড় হতে থাকে তখন মায়ের বিভিন্ন অসুখ এর কারণে জন্মগত ভাবে কিংবা জন্মের পরে বাচ্চার চোখে ছানি পরতে পারে। সিফিলিস, রুবেলা, টক্সোপ্লাজমা, এইচাইভি, ভেরিসেলা এসব রোগে আক্রান্ত গর্ভবতী মায়ের শিশুর জন্মগত ছানির সমস্যা হয়ে থাকে।

২। বার্ধক্যজনিত ছানি: বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমাদের স্বচ্ছ লেন্স ধীরে ধীরে ঘোলা হতে থাকে। একটা নির্দিষ্ট সময় পর এই ঘোলা লেন্স দিয়ে আমরা কাছের আর দূরের কাজ করতে পারবো না সহজে। ৬০-৬৫ বছর থেকে কিংবা কখনো আগেই এই বার্ধক্যজনিত ছানি পরতএ পারে।

৩। আঘাতজনিত কারণে ছানি: চোখে আঘাত লাগলে সেটা থেকে চোখের স্বচ্ছ লেন্স ধীরে ধীরে কিংবা হুট করেই ঘোলা হয়ে যেতে পারে।

৪। কমপ্লিকেটেড ছানি: চোখের অনেকদিন ধরে থাকা বিভিন্ন অসুখ যেমন ইউভিয়াইটিস এর কারণে চোখে যে কোন বয়সে ছানি পরতে পারে।

৫। অন্য অসুখের ক্ষেত্রে: যাদের ডায়াবেটিস, এল্কাপ্টনিউরিয়া এসব রোগ থাকে তাদের অল্প সময়ের মধ্যে ছানি পরতে পারে।


চোখে ছানি পড়ার লক্ষণ সমূহ গুলো কী কী ? 

চোখে ছানি পড়ার লক্ষণ সমূহ গুলো হল ঃ  

# চোখের দৃষ্টি শক্তি ধীরে ধীরে কমে যাবে
# চোখে আবছা/কুয়াশা/ ঝাপসা দেখবে
# ছানি পাকলে দেখা যাবে না এবং একা একা চলা যাবে না
# চোখের কালোমণি ড ধূসর/সাদা দেখা যাবে

চোখে ছানি চিকিৎসা সমূহ ঃ 

পূর্ণবয়স্কদের প্রায় ৮০ শতাংশ অন্ধত্বের কারণ এই ছানি। এজন্য চোখে দেখতে সমস্যা হওয়া মাত্রই চিকিৎসা শুরু করা উচিত। প্রথমে চশমা ব্যবহারের পর দৃষ্টির সমস্যার সমাধান না হলে, তখন অপারেশন লাগতে পারে। লেন্স প্রতিস্থাপন বা অপারেশন ছাড়া তেমন চিকিৎসা নেই। নবজাতকের ছানির ক্ষেত্রেও অপারেশন লাগতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে চোখ সম্পূর্ণ অন্ধ হতে পারে। ছানি অপারেশন মূলত চার ধরনের হয়। যেমন—      

ইসিসিই : এ ক্ষেত্রে চোখের স্বচ্ছ কর্নিয়া ও সাদা অংশের মাঝ বরাবর কেটে ছানি বের করে আনা হয়। তারপর কৃত্রিম লেন্স সংযোজন করা হয়। প্রায় ১০ বছর আগে এ ধরনের অপারেশন বেশি হলেও চিকিৎসাশাস্ত্রের আধুনিকায়নের ফলে এখন বাংলাদেশে এই অপারেশন তেমন একটা হয় না।

এসআইসিএস : এই পদ্ধতিতে চোখের সাদা অংশ বিশেষভাবে কেটে সেই পথে ছানি বের করে আনা হয়। এরপর কৃত্রিম লেন্স সংযোজন করা হয়। কাটা স্থানটি খুব ছোট হওয়ায় এবং কাটার সময় বিশেষভাবে ভাল্বের মতো ব্যবস্থা রাখা হয় বলে কাটা স্থানে সেলাই দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। যেখানে ফ্যাকো সার্জারির সুবিধা নেই, সেখানে এসআইসিএসের প্রচলন এখনো আছে। এতে খরচ তুলনামুলক কম। 

ফ্যাকো সার্জারি : এ পদ্ধতিকে আধুনিক চিকিৎসা বলা যায়। ফ্যাকো মেশিনের সাহায্যে খুব ছোট ছিদ্র করে আল্ট্রাসনিক ওয়েভের মাধ্যমে লেন্সকে গলিয়ে বের করে সেখানে নতুন একটি লেন্স প্রতিস্থাপন করা হয়। এরপর কৃত্রিম লেন্স সংযোজন করা হয়। এই পদ্ধতির সুবিধা হলো, চোখে সেলাই দেওয়ার তেমন প্রয়োজন পড়ে না। সার্জারির পরপরই রোগী বাড়ি চলে যেতে পারে, দ্রুত আরোগ্য লাভ করে এবং অপারেশন পরবর্তী জটিলতা হওয়ার আশঙ্কাও কম। অত্যন্ত দামি ফ্যাকো মেশিন, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা প্রয়োজন বিধায় এই অপারেশন কিছুটা ব্যয়বহুল।

লেজার ফ্যাকো সার্জারি : চোখের ছানির সর্বাধুনিক সার্জারি এটি। অত্যন্ত ব্যয়বহুল ফেমটো লেজারের সাহায্যে এই সার্জারি করা হয়। চোখকে ফেমটো লেজার মেশিনে সংযোগ করে লেজার রশ্মি দিয়ে ছানির ওপরের অংশ গোল করে নিখুঁতভাবে কেটে ছানিকে ৮ বা ১৬ টুকরা করা হয়। এ চিকিৎসা প্রচলিত ফ্যাকো সাজারির চেয়েও সঠিক, যার গুণগত মানও অনেক ভালো।


চোখে কোন সমস্যা হলে আমদের উচিত সব সময় যত দ্রুত সম্বভ কোন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া আর এখন আপনি চাইলে বাসায় বসেই আপনার যে কোন রোগের চিকিৎসা নিতে পারেন এবং বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে পারেন।"Call A Doctor BD" আপনাকে দিচ্ছে সেই সকল সুবিধা সমূহ।   

চোখের যে কোন সমস্যায়  বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে ফোন করুন   

DR.MUNTASIR BIN SHAHID
MBBS, MS, ICO-FELLOW
ASSISTANT PROFESSOR -Ophthalmology (BIHS)
BMDC REG NO: A43092
Specialty: Eye Specialist, Glaucoma, Lasar & PHACO Surgeon

এছাড়া আপনার  যেকোন সমস্যা বা রোগের লক্ষণ দেখা দিলেই আতংকিত না হয়ে আমাদের কল করুন :

☎ ০১৮৩৩৭৭৫৪৭৫
☎ ০১৮৮৬৩৫৭৭৩৩

সময় : সকাল ১০:০০ টা থেকে সন্ধ্যা ৭:০০ টা পর্যন্ত।

তাছাড়া Call A Doctor BD এর জেনেরাল সার্ভিসগুলো এক নজরে,
১) বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের টেলিমেডিসিন
২) বাসা থেকে বিভিন্ন টেষ্টসমূহের নমুনা সংগ্রহ
৩) মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় কাউন্সেলিং
৪) নিউট্রিশান ও ডায়েট চার্ট

তাছাড়া Call A Doctor BD এর প্রিমিয়াম সার্ভিসগুলো এক নজরে,
১) বাসায় ডাক্তার ভিজিট
২) এল্ডারলি কেয়ার
৩) নার্সিং কেয়ার

ডাক্তার সম্পর্কে জানতে ভিজিট করুন-
https://bit.ly/2Mo1RgT

Facebook: www.facebook.com/CallaDoctorBD/
LinkedIn: www.linkedin.com/company/call-a-doctor-bd/
Youtube: www.youtube.com/channel/UCh9dsl9XDn3fvsQtzDYkFng
Website: www.calladoctorbd.com

Share the post

About Author

Admin

Call A Doctor BD in short CAD BD is a healthcare start up which is planning to introduce first 360° healthcare in Bangladesh. In addition, COVID-19 pandemic actually showed us the real scenario of healthcare infrastructure of our country. Everything is going digital, CAD BD aims to provide digital healthcare with some premium home services for the customers.

Comments (0)

Leave Comment