CallAdoctorbd

হার্ট অ্যাটাক কি?হার্ট অ্যাটাক কেন হয়? কীভাবে হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করবেন?

  • 23 Jul 2020
  • 0 Comments
  • Disease

বর্তমানে মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বা হার্ট অ্যাটাক একটা সাধারণ রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ হার্টের সমস্যায় ভুগছে। প্রায়ই শোনা যায়, হার্ট অ্যাটাকের ফলে মৃত্যুর খবর। বেশিরভাগ বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা দেয়। সবচেয়ে প্রচলিত কার্ডিওভাসকুলার রোগগুলির মধ্যে এটি একটি। ৪৫ বছর বা তার বেশি বয়সী পুরুষ এবং ৫৫ বা তার বেশি বয়সের নারীদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা সব চেয়ে বেশি থাকে। কম বয়সী পুরুষ ও নারীদেরও হার্ট অ্যাটাক হয়ে থাকে। 


মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বা হার্ট অ্যাটাক  কি?

যখন আমাদের হার্টে রক্ত ​​প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায় তখন হার্ট অ্যাটাক হয়। আমাদের হৃদপিণ্ডের নিজস্ব রক্তনালি থাকে। এই রক্তনালিতে চর্বি, কোলেস্টেরল জমে গেলে এর ওপর রক্ত জমাট বাঁধতে শুরু করে। ফলে, রক্তনালিগুলো পুরোপুরি ব্লক হয়ে যায়, রক্ত প্রবাহের পথে বাধা পায়। এর ফলে, হঠাৎ করে বুকে ব্যথা এবং সেখান থেকে পরিস্থিতি জটিল হলে মৃত্যুও হতে পারে। একেই সাধারণত হার্ট অ্যাটাক বলা হয়। একে  
আবার মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন-ও বলা হয়। এককথায় বলা যায়, রক্তনালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে হার্টের কার্যক্ষমতা বন্ধ হয়ে গেলে হার্ট অ্যাটাক হয়।
হৃদপিণ্ডের ভেতর দিয়ে অক্সিজেন প্রবাহিত না হতে পারলেই হার্ট অ্যাটাক হয়। হার্ট অ্যাটাক এমন গুরুতর অসুখ, যার জন্য তাৎক্ষণিক চিকিৎসার প্রয়োজন। না হলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।


মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বা হার্ট অ্যাটাক কেন হয়?

হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার অনেক কারণ আছে।কার্ডিয়াক অবস্থার কারণে হার্ট অ্যাটাক হয়। বেশিরভাগ হার্ট অ্যাটাক করোনারি হার্ট ডিজিজ দ্বারা সৃষ্ট হয়, রক্তনালিতে চর্বি, কোলেস্টেরল জমে রক্তনালিগুলোকে ব্লক করে দেয়।

যে যে কারণে মানুষের হার্ট অ্যাটাক হতে পারে-
১) অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন অর্থাৎ অতিরিক্ত ধূমপান, মদ্যপান করলে হার্ট অ্যাটাক হয়।
২) স্ট্রেস, বিষণ্ণতা বা মানসিক চাপের মধ্যে থাকলে
৩) অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার খেলে
৪) উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বাড়লে,
৫) স্থূলতা, বয়স
৬) পারিবারিক ইতিহাসে হার্ট অ্যাটাক থাকলে, ইত্যাদি। 


মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বা হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ সমূহ গুলো কী কী?

আমরা অনেকেই মনে করি, মানুষের বয়স বাড়লে , মোটা হলে বা দুশ্চিন্তা করলে হার্ট অ্যাটাক হয়। কিন্ত, এটা ভুল ধারণা যে কোন সময় হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায়, বিশ্রামের সময়, হঠাৎ ভারী কায়িক শ্রমের জন্য, কখনো হঠাত ঠান্ডা আবহাওয়ায় বেরুলে, ইমোশনাল স্ট্রেসের জন্য, কখনো হাটা চলার মধ্যে।হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ গুলো হল  :

১) বুকে অসহ্য চাপ, অস্বস্তি বা ব্যথা
২) বমি বমি ভাব
৩) হঠাৎ মাথা ঘোরা বা মাথা ঝিমঝিম করা
৪) শ্বাসকষ্ট ঙ) ঠান্ডা ঘাম বেরিয়ে যাওয়া
৫) বাহু, গলা, পিঠ, চোয়াল বা পাকস্থলির উপরের অংশ ব্যথা বা অস্বস্তি
৬) শক্তি হারিয়ে ফেলা বা শারীরিক দুর্বলতা, ইত্যাদি


কীভাবে মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বা হার্ট অ্যাটাক রোগনির্ণয় করবেন?  

হৃদরোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে চিকিৎসক শারীরিক পরীক্ষা করার পাশাপাশি রোগীর চিকিৎসার ইতিহাস পর্যালোচনা করবেন, রক্ত পরীক্ষাও করতে পারেন।
রোগ নির্ণয়ের জন্য যে যে পরীক্ষাগুলো চিকিৎসক করতে দিতে পারেন-

ক) ইকোকার্ডিওগ্রাম
খ) চেস্ট এক্স-রে
গ) করোনারি ক্যাথেটারাইজেশন (এনজিওগ্রাম)
ঘ) কার্ডিয়াক CT বা MRI


মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বা হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে চিকিৎসা :

এই রোগের ক্ষেত্রে রোগীকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে। কারণ, গবেষণায় জানা গেছে, এইসব রোগের ক্ষেত্রে রোগীর চিকিৎসা একটু দেরি হলেই মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগে তার জন্য আলো বাতাসের ব্যবস্থা করতে হবে। রোগীর জিহবার নিচে একটি নাইট্রেট ট্যাবলেট দিতে হবে। চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলে রোগীর ECG করতে দিতে পারেন এবং অক্সিজেনও দেয়ার ব্যবস্থা করতে পারেন। হার্ট অ্যাটাকের কারণ এবং অবস্থার উপর নির্ভর করে, চিকিৎসক বিভিন্ন শারীরিক পরীক্ষার পরামর্শ দেবেন।

এছাড়া, চিকিৎসক এমন কিছু পদ্ধতির পরামর্শ দেবেন যা ব্যথা উপশম করতে এবং হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে সহায়তা করে। পদ্ধতিগুলির মধ্যে রয়েছে, এনজিওগ্রাম, অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি, হার্ট বাইপাস সার্জারি, হার্ট ভালভ সার্জারি, পেসমেকার এবং হার্ট ট্রান্সপ্ল্যান্ট, ইত্যাদি।

এই রোগ চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত ওষুধগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যাসপিরিন, অ্যান্টিপ্লেটলেট এবং অ্যান্টিকোঅ্যাগুল্যান্টস, পেনকিলার, থ্রোমবোলাইটিক্স, বিটা-ব্লকারস, স্ট্যাটিনস, নাইট্রোগ্লিসারিন এবং রক্তচাপের ওষুধ, ইত্যাদি।

প্রথমে এনজিওগ্রাম করে ব্লকের পরিমাণ নির্ণয় করতে হবে। যদি ব্লক বেশি হয় এবং ওষুধে সমাধান হবে না বলে মনে হয়, তবে এনজিওপ্লাস্টি (Angioplasty) করতে হতে পারে। এছাড়াও, চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলে ওপেন হার্ট সার্জারি বা বাইপাস সার্জারি করতে পারেন।


কীভাবে মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বা হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করবেন?

নিয়মিত স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন আপনার শরীরকে সুস্থ রাখতে পারে।
১) ধূমপান, মদ্যপান এড়িয়ে চলুন
২) নিয়মিত শরীরচর্চা করুন
৩) স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখার চেষ্টা করুন
৪) বিষণ্ণতা বা স্ট্রেস মুক্ত থাকার চেষ্টা করুন
৫) ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল ও রক্তচাপের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করুন
৬) স্বাস্থ্যকর খাবার খান
৭) নিয়মিত মেডিকেল চেক আপ করান। 


এছাড়া হার্টে বা বুকে কোন সমস্যা হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এবং পরিক্ষা-নিরীক্ষা করাতে হবে।আর এখন আপনি চাইলে বাসায় বসেই আপনার যে কোন রোগের চিকিৎসা নিতে পারেন এবং বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে পারেন।"Call A Doctor BD" আপনাকে দিচ্ছে সেই সকল সুবিধা সমূহ।   

মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বা হার্ট অ্যাটাক এর মত সমস্যায় বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে ফোন করুন 

DR. C.M SHAHEEN KABIR
MBBS, MD (CARD),FACC,FSCAI (USA)
BMDC REG NO: A38208
Specialty: Cardiology

For Appointment:
☎ 01833775475
☎ 01886357733

Doctor details, https://bit.ly/2Mo1RgT

তাছাড়া Call A Doctor BD এর জেনেরাল সার্ভিসগুলো এক নজরে,
১) বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের টেলিমেডিসিন
২) বাসা থেকে বিভিন্ন টেষ্টসমূহের নমুনা সংগ্রহ
৩) মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় কাউন্সেলিং
৪) নিউট্রিশান ও ডায়েট চার্ট

তাছাড়া Call A Doctor BD এর প্রিমিয়াম সার্ভিসগুলো এক নজরে,
১) বাসায় ডাক্তার ভিজিট
২) এল্ডারলি কেয়ার
৩) নার্সিং কেয়ার

Share the post

About Author

Admin

Call A Doctor BD in short CAD BD is a healthcare start up which is planning to introduce first 360° healthcare in Bangladesh. In addition, COVID-19 pandemic actually showed us the real scenario of healthcare infrastructure of our country. Everything is going digital, CAD BD aims to provide digital healthcare with some premium home services for the customers.

Comments (0)

Leave Comment