CallAdoctorbd

কিডনি কি, সমস্যা এবং সমাধান

  • 25 Jul 2020
  • 0 Comments
  • Disease

কিডনি কি, সমস্যা এবং সমাধান

কিডনি কি?

মানব দেহের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হচ্ছে কিডনি।শরীরে ছাঁকনির কাজ করে কিডনি। বিপাক ক্রিয়ার পর শরীরে থেকে যাওয়া বর্জ্য ও টক্সিক পদার্থকে রক্ত থেকে ছেঁকে মল-মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেয় কিডনি। তাই এটি ক্ষমতা হারালে শরীরে টক্সিক পদার্থ জমে যায়। এর সঙ্গে দূষিত পদার্থ না বের হওয়ায় শরীরে জল ও পিএইচ-এর ভারসাম্য লঙ্ঘিত হয়।

কিভাবে কিডনি ক্ষতিগ্রস্থ হয়?

পৃথিবীতে মানবজাতি যেসব প্রাণঘাতী রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে তার মধ্যে কিডনি রোগ অন্যতম। এই কিডনি রোগ খুব নীরবে শরীরের ক্ষতি করে। খুব জটিল অবস্থা না হওয়া পর্যন্ত সাধারণত লক্ষণগুলো ভালোভাবে প্রকাশও পায় না। তাই কিডনি রোগের প্রাথমিক লক্ষণগুলো আগে থেকেই জেনে রাখা জরুরি। সেই সঙ্গে জানা দরকার এর সঠিক চিকিৎসা কি হবে।কিডনির ক্ষতি হয় যে কারণে তা হল ঃ

# পর্যাপ্ত পানি পান না করা

প্রতিদিন যেসব কারণে কিডনির ক্ষতি হয় তার মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ কারণটি হলো পর্যাপ্ত পানি পান না করা। কিডনির অন্যতম প্রধান কাজ শরীর থেকে পরিপাক প্রক্রিয়ার বর্জ্য অপসারণ করা এবং লোহিত রক্তকণিকার ভারসাম্য রক্ষা করা। কিন্তু পর্যাপ্ত পানি পান না করলে বৃক্বের রক্তপ্রবাহ কমে যায়। এর ফলে রক্তে দূষিত রাসায়নিক জমা হতে থাকে।

# ক্যাফেইনে বেশি আসক্তি

তৃষ্ণা পেলে আমরা অনেক সময় পানি পান না করে নানা ধরনের কোমল পানীয় পান করি। কিন্তু এসব পানীয়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ক্যাফেইন মেশানো থাকে। অতিরিক্ত ক্যাফেইন শরীরে রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। অতিরিক্ত রক্তচাপ কিডনির ওপরও চাপ প্রয়োগ করে এবং এতে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

# দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব না করে থাকা

দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব না করে থাকা প্রাত্যহিক সমস্যাগুলোর একটা। বিশেষত পর্যাপ্ত পাবলিক টয়লেটের অভাবে শহরাঞ্চলের নারীরা এই সমস্যায় বেশি ভোগেন। দীর্ঘক্ষণ মূত্রাশয় পূর্ণ করে রাখা শরীরে নানাবিধ জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। পেশির ওপর চাপ থেকে ডাইভারটিকিউলোসিসের মতো জটিল রোগ হতে পারে। এ ছাড়া দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব না করা থেকে হাইড্রোনেফ্রোসিস বা কিডনিতে প্রস্রাবের চাপ বেড়ে যাওয়ার সমস্যা তৈরি হয়। এসব থেকেই কিডনি কর্মক্ষমতা হারায় এবং ডায়ালাইসিস প্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে।

# ব্যথানাশকের প্রতি নির্ভরশীলতা

মাথাব্যথা, গলাব্যথা যা-ই হোক না কেন কথায় কথায় ব্যথার ওষুধ খাওয়ার বাজে অভ্যাস আমাদের অনেকেরই আছে। কিন্তু প্রায় সব ব্যথানাশক ওষুধেরই কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে। কিডনিসহ নানা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের জন্য এসব ওষুধ ক্ষতিকর। গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত ব্যথানাশক ওষুধের ওপর নির্ভরতা রক্তচাপ কমিয়ে দেয় এবং কিডনির কর্মক্ষমতা হ্রাস করে।

# বেশি লবণ খাওয়া

বিভিন্ন খাবার-দাবারে মিশে থাকা লবণকে পরিপাক করা কিডনির আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ। রান্না করা বা প্যাকেটজাত খাবারে ব্যবহার করা লবণ আমাদের শরীরে সোডিয়ামের বড় উৎস। কিন্তু পরিপাকের মধ্য দিয়ে এই সোডিয়ামের বেশির ভাগটাই বর্জ্য হিসেবে শরীর থেকে বের করে দিতে হয়। আমরা যখন বেশি বেশি লবণ খাই, তখন এই সোডিয়াম প্রক্রিয়াজাত করা নিয়ে কিডনিকে অনেক বেশি ব্যস্ত থাকতে হয়। এতে কিডনির ওপর প্রবল চাপ পড়ে।

# অ্যালকোহলে আসক্তি

মদ্যপানের অভ্যাস আছে এমন অনেকেরই অনেক সময় মাত্রাজ্ঞান থাকে না। আর খুব বেশি পরিমাণে মদ পান করা কিডনির জন্য খুবই ক্ষতিকর। অ্যালকোহলে নানা ধরনের টক্সিন থাকে, যেগুলো শরীর থেকে দূর করতে কিডনির ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে যায়। ফলে কিডনি বাঁচাতে হলে অবশ্যই অ্যালকোহলে আসক্তি কমাতে হবে।

# ধূমপানে আসক্তি

যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের অভিমত অনুসারে ধূমপান কিডনিসহ শরীরে সব অঙ্গের জন্যই ক্ষতিকর। এ ছাড়া বিভিন্ন গবেষণাতেই ধূমপানের সঙ্গে কিডনি রোগের সম্পর্ক আছে। সুস্থ কিডনি চাইলে ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করুন।

# রাত জেগে থাকা

রাত জেগে থাকা, ঘুমাতে না পারা আমাদের অনেকেরই নিয়মিত সমস্যা। কিন্তু ঘুম শরীরের জন্য নানা কারণে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঘুমের সময়ই শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর টিস্যুর নবায়ন ঘটে। ফলে ঘুমাতে না পারার সমস্যাটা নিয়মিত চলতে থাকলে কিডনিসহ শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর এই কাজ বাধাগ্রস্ত হয়। এতে কিডনির স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা কমে যায়।

# সর্দি-কাশিকে পাত্তা না দেওয়া

সাধারণ সর্দি-কাশিকে পাত্তা না দেওয়া আমাদের অনেকেরই অভ্যাস। কিন্তু এই সর্দি-কাশিই কিডনির জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে। এ ছাড়া নানা গবেষণায় দেখা গেছে কিডনির সমস্যায় ভুগছেন এমন অনেকেরই অসুস্থতার সময়ে ঠিকমতো বিশ্রাম না নেওয়ার ইতিহাস আছে।

# বেশি বেশি প্রোটিন খাওয়া

কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়লে লাল মাংস বা গরু-ছাগলের মাংস বেশি খাওয়া ঠিক না। বেশি প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার কিডনির ওপর চাপ তৈরি করতে পারে। তবে, কিডনির সমস্যা না থাকলে বা চিকিৎসকের নিষেধ না থাকলে এমন প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া যেতে পারে।

উপরের কারণ গুলোর ফলে কিডনি মারাত্নক ক্ষতিগ্রস্থ হয় যা আমাদের কল্পনারও বাইরে।

কিডনি রোগের যত কারণ ঃ

কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা স্থায়ীভাবে কিডনি বিকল হয় নানা কারণে। তবে সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, নেফ্রাইটিসের কারণে ৪৬ শতাংশ, ডায়াবেটিসের কারণে ৩৮ শতাংশ ও উচ্চ রক্তচাপের কারণে ১১ শতাংশ কিডনি বিকল হয়। এ ছাড়া বংশগত, ওষুধের প্রভাব ইত্যাদি কারণ রয়েছে।

# নেফ্রাইটিস

নেফ্রাইটিস হলো কিডনির প্রধান একটি রোগ। যেকোনো বয়সে এ রোগ হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে রোগটি ৯০ শতাংশ নিরাময়যোগ্য। জটিলতা বাধে বড়দের বেলায়। সংক্রামক ও অসংক্রামক—এ দুই ধরনের নেফ্রাইটিস হতে পারে। ২০ শতাংশ সংক্রামক ও ৮০ শতাংশই অসংক্রামক কারণে নেফ্রাইটিস হয়, যার কারণ সম্পূর্ণ অজানা। সংক্রামক কারণগুলো প্রতিরোধ বা প্রতিকার করা যায়। কিন্তু অসংক্রামক রোগের চিকিৎসা বেশ জটিল।

নেফ্রাইটিসে শরীর ফুলে যায়, রক্তচাপ বৃদ্ধি পায় এবং প্রস্রাবে আমিষ নির্গত হয়। এমনকি প্রস্রাবে লোহিতকণিকা, কাস্ট বা শ্বেতকণিকা যেতে পারে। রক্তে ক্রিয়েটিনিন নামের যৌগিক পদার্থ বেড়ে যেতে পারে। রক্তে চর্বির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। কিডনি থেকে সুচের মাধ্যমে টিস্যু বের করে তা অণুবীক্ষণ যন্ত্রে পরীক্ষার মাধ্যমে (বায়োপসির) এই রোগ শনাক্ত করা যায়। প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসার মাধ্যমে ৩০ শতাংশ ক্ষেত্রে এই জাতীয় ক্রনিক কিডনি ডিজিজ (সিকেডি) নিরাময় করা সম্ভব। আশঙ্কার কথা হলো, চিকিৎসা সত্ত্বেও ১০-১৫ বছরের মধ্যে ৬০ শতাংশ রোগীর কিডনির কার্যকারিতা লোপ পায় এবং কিডনি সম্পূর্ণ অকেজো হয়।

# ডায়াবেটিস

ডায়াবেটিস তেমন কোনো মারাত্মক ব্যাধি নয়। তবে নিয়ম না মেনে চলা ও সঠিক চিকিৎসার অভাবেই এটা মারাত্মক হয়। টাইপ ওয়ান—অর্থাৎ কম বয়সের ডায়াবেটিস হলে ইনসুলিনের মাধ্যমে চিকিৎসা করা যায়। বেশি বয়সীদের বা টাইপ টু ডায়াবেটিস রোগ হলে সঠিক খাদ্যাভ্যাস, ট্যাবলেট বা ইনসুলিন দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ৯৮ শতাংশ ডায়াবেটিক রোগী হচ্ছে টাইপ টু। তবে ডায়াবেটিস প্রতিকার, এমনকি প্রতিরোধ করাও সম্ভব। সচেতন হয়ে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন, ওষুধের নিয়মতান্ত্রিক ব্যবহার এবং স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনের অভ্যাস ডায়াবেটিক রোগীকে সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারে।

আশঙ্কাজনক তথ্য হলো, ৪০ শতাংশ ডায়াবেটিক রোগী কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়। এটা ডায়াবেটিস রোগ শনাক্ত করার পর থেকে যেকোনো সময়ে হতে পারে। তাই কেউ কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়েছে কি না তা জানা প্রতিটি ডায়াবেটিক রোগীর জন্য জরুরি। শুধু প্রস্রাব পরীক্ষা করে এবং রক্তের ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা দেখে বোঝা যায়, কেউ ডায়াবেটিসজনিত কিডনি রোগে আক্রান্ত কি না। বিশেষ করে চল্লিশের বেশি বয়সী ডায়াবেটিক রোগীর এবং যাদের বংশে ডায়াবেটিক রোগী রয়েছে, তাদের এই পরীক্ষা করা জরুরি।

# উচ্চ রক্তচাপ

কিডনি রোগের তৃতীয় প্রধান কারণ উচ্চ রক্তচাপ। উন্নত বিশ্বে ২০-২৫ শতাংশ উচ্চ রক্তচাপ রোগের কারণে কিডনি নষ্ট হয়। এ ছাড়া উচ্চ রক্তচাপের কারণে ব্রেনস্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক তো আছেই। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের মধ্যে না থাকলে তা মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনতে পারে।

বেশির ভাগ সাধারণ মানুষের ধারণা, উচ্চ রক্তচাপে উপসর্গ বা লক্ষণ প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত চিকিৎসার দরকার নেই। আবার অনেকের ধারণা, সামান্য উচ্চ রক্তচাপের জন্য ওষুধ না খাওয়াই ভালো। অথবা ওষুধ সেবন করে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ হয়ে গেলে আর ওষুধের দরকার নেই। আবার অনেকে মনে করেন, সারা জীবন এই ওষুধ খেতে থাকলে শরীরের অনেক ক্ষতি হতে পারে। মূলত এসবই ভুল চিন্তা, যা থেকেই উচ্চ রক্তচাপ সুপ্ত অবস্থায় থেকে যায়। এর প্রবণতায় পরবর্তী সময়ে কিডনি অকেজো হয়। তখন কিছু উপসর্গ প্রকাশ পায় বটে, কিন্তু চিকিৎসকের আর কিছুই করার থাকে না।

তাই কারো উচ্চ রক্তচাপ থাকুক আর না থাকুক, নিয়মিত পরীক্ষা করা উচিত। বিশেষ করে চল্লিশোর্ধ্ব বয়সী যাঁরা এবং বংশে যাঁদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে অথবা কিডনি রোগ রয়েছে, তাঁদের অবশ্যই বছরে এক-দুবার রক্তচাপ পরীক্ষা করে তা নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত। আর রক্তচাপের পূর্বাভাস পাওয়া গেলে তখন থেকে চিকিৎসা শুরু করা উচিত। একই সঙ্গে জীবনযাত্রার নিয়ম পরিবর্তন, লবণ পরিহার, প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটা বা ব্যায়াম করা, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত।

# বংশগত

অনেক সময় বংশগত কারণে বা পরিবারের কারো কিডনি রোগ থাকলে সে ক্ষেত্রে অন্য কারো কিডনি রোগ হতে পারে। ২-৩ শতাংশ রোগ বংশগত কারণে হয়। তবে একক জেনেটিক কারণে সহজে হয় না। উত্তরাধিকার সূত্রে কিডনি রোগের প্রধান কারণ পলিসিস্টিক কিডনি ডিজিজ, যা ওষুধের মাধ্যমে নিরাময় হতে পারে। এতে জন্মগতভাবে কিডনির কার্যকারিতা কম থাকে অথবা কিডনির আকার ছোট বা বেশি বড় থাকে। এতেও দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ হতে পারে। তাই যাদের বংশে কিডনি রোগী ছিল বা আছে তাদের একটু বেশি সতর্ক থাকতে হবে।মনে রাখা উচিত, যেকোনো ধরনের কিডনি রোগ প্রাথমিক পর্যায়ে মারাত্মক নয়। বরং শুরুতে শনাক্ত করা গেলে বেশির ভাগ কিডনি রোগই প্রতিরোধ করা সম্ভব।

কিডনির সুরক্ষায় আমাদের করণীয় ঃ

কিডনির সুরক্ষার জন্যে আমাদের যেসকল কাজ করতে হবে ,

১. এই অসুখ ঠেকাতে প্রাথমিকভাবে খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিন লবন। বেশি লবন বা জলযুক্ত খাবার কিডনির ওপর চাপ ফেলে।

২. ডায়াবেটিস বা রক্তচাপজনিত সমস্যা থাকলে সে সব নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। তা না হলে কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে।

৩. ডায়েট মানার পাশাপাশি নিয়মিত শরীর চর্চা করতে হবে।

৪. বছরে অন্তত একবার নিয়মিত কিডনি ফাংশন টেস্ট করিয়ে রাখতে পারেন।

কিডনি সমস্যা দেখা দিলে আমাদের করণীয় ঃ

কিডনি সমস্যা দেখা দিলে আমাদের কি করণীয় তা জানতে হলে আগে আমাদের এই রোগের উপসর্গ সম্পর্কে জানতে হবে। এই রোগের উপসর্গ গুলো হল :

১. বার বার মূত্রনালীতে সংক্রমণ হওয়া এবং বার বার হালকা জ্বর আসা।

২. অল্প পরিশ্রম করলেও হাঁফিয়ে যাওয়া ও শ্বাসকষ্ট হওয়া।

৩. প্রস্রাবের জায়গায় হঠাৎ জ্বালা ও তার সঙ্গে রক্ত স্বল্পতা।

৪. হাত-পা-মুখে পর পর কয়েক দিন অস্বাভাবিক ফোলা।

উপরের সমস্যা গুলো এক বা একাধিক দেখা দিলে জরুরী ভিত্তিতে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে এবং পরিক্ষা-নিরীক্ষা করাতে হবে।আর এখন আপনি চাইলে বাসায় বসেই আপনার যে কোন রোগের চিকিৎসা নিতে পারেন এবং বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে পারেন।"Call A Doctor BD" আপনাকে দিচ্ছে সেই সকল সুবিধা সমূহ।

আপনার যেকোন সমস্যা বা রোগের লক্ষণ দেখা দিলেই আতংকিত না হয়ে আমাদের কল করুন :

☎ ০১৮৩৩৭৭৫৪৭৫
☎ ০১৮৮৬৩৫৭৭৩৩

সময় : ???? সকাল ১০:০০ টা থেকে সন্ধ্যা ৭:০০ টা পর্যন্ত।

তাছাড়া Call A Doctor BD এর জেনেরাল সার্ভিসগুলো এক নজরে,
১) বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের টেলিমেডিসিন
২) বাসা থেকে বিভিন্ন টেষ্টসমূহের নমুনা সংগ্রহ
৩) মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় কাউন্সেলিং
৪) নিউট্রিশান ও ডায়েট চার্ট

তাছাড়া Call A Doctor BD এর প্রিমিয়াম সার্ভিসগুলো এক নজরে,
১) বাসায় ডাক্তার ভিজিট
২) এল্ডারলি কেয়ার
৩) নার্সিং কেয়ার

ডাক্তার সম্পর্কে জানতে ভিজিট করুন-
https://bit.ly/2Mo1RgT

Facebook: www.facebook.com/CallaDoctorBD/
LinkedIn: www.linkedin.com/company/call-a-doctor-bd/
Youtube: www.youtube.com/channel/UCh9dsl9XDn3fvsQtzDYkFng
Website: www.calladoctorbd.com

Share the post

About Author

Admin

Call A Doctor BD in short CAD BD is a healthcare start up which is planning to introduce first 360° healthcare in Bangladesh. In addition, COVID-19 pandemic actually showed us the real scenario of healthcare infrastructure of our country. Everything is going digital, CAD BD aims to provide digital healthcare with some premium home services for the customers.

Comments (0)

Leave Comment