কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা

maro news
কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা

বাংলাদেশে যে রোগের প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি তা হল কৃমির রোগ।  জন্মের পর ২ বছর বয়স থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রতি ৬ মাস অন্তর অন্তর এ কৃমির ঔষধ পরিবারের সদস্যদের সেবন করার কথা আমরা সবাই কম বেশি জানি।  কিন্তু আমরা কি সেটা মেনে আসছি?  ৫% হয়তো পাওয়া যাবে।

আপনি জানলে অবাক হবেন,  এ কৃমি শরীরের বিভিন্ন অংশে অবস্থান করে আপনাকে মুমূর্ষু  অবস্থায় নিয়ে যেতে পারে।  একটা সময় টিভিতে, পত্রিকায় কৃমির ঔষধ খাওয়ার গণসচেতনা মূলক বিজ্ঞাপন দেখতাম এবং নির্দিষ্ট সময় পরপর স্কুল, মাদ্রাসাগুলোতে এ কৃমির ঔষধ খাওয়ার জন্য বিভিন্ন রকম উদ্যোগ নেয়া হতো ।  কিন্তু সেই রকম উদ্যোগ বা আয়োজন এখন আর দেখা যায় না এবং মানুষ কৃমির ওষুধ যে নিধারিত  সময়  পর খেতে হয় তা ভুলে যাওয়ার পথে ।

এই কৃমির ওষুধ নিয়ম অনুযায়ী সেবন করলে দেখা যায় যে অনেক ধরনের বড় বড় সমস্যা আর দেখা দেয় না এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও ঠিক থাকে ।  তাই আমরা বিভিন্ন রোগের প্রাথমিক চিকিৎসা না করে বা কিছু প্রতিরোধ মূলক কমসূচী গণ সচেতনতা  মূলক কর্মকান্ডে  অনেক রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারি।

উল্লেখ্য যে মেয়েদের ক্ষেত্রে এ কৃমির ওষুধ খাওয়ার একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, দেখুন বয়স সন্ধিক্ষণ এর পর থেকে মাসিক স্থায়ীভাবে বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত কৃমির ওষুধ উচিত।  যে দিন মাসিক শুরু হবে ওই দিন বা তারপর দিন থেকে খেতে হয়।  বাচ্চা নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে কৃমির ওষুধ খাওয়া  সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হবে। কোন বয়সে কোন কৃমির ওষুধ কিভাবে খেতে হবে তা একজন ডাক্তার থেকে পরামর্শ পেতে চাইলে  calladoctorbd.com লগইন করে পরামর্শ নিতে পারেন

Dr. MD. Shahidullah

Dr. MD. Shahidullah

MBBS (Dhaka University); P.G.T. in Internal Medicine for 1yr ( Shaheed Suhrawardy Medical College & Hospital) . EMO and CMO for 2 years (AICHI Medical College & Hospital) IMO and SMO for 1 and half year (BRB Hospital; ex. Gastro Liver Hospital)  

0 Comments.

leave a comment

You must login to post a comment. Already Member Login | New Register