শিশুর প্রয়োজনীয় পুষ্টি

maro news
শিশুর প্রয়োজনীয় পুষ্টি

শিশুদের ওজন ও তাদের সঠিক পুষ্টি নিয়ে বাবা-মায়ের চিন্তার কমতি নেই। শিশু খাবার খেতে চায় না, দিন দিন রোগা হয়ে যাচ্ছে – শিশুর স্বাস্থ্য নিয়ে এমন অভিযোগ প্রায় সব মায়েদের। আমরা সঠিক ধারণার অভাবে অনেক সময়ই শিশুদের চাহিদামতো পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাবার সরবরাহ করতে পারি না। আজকের আয়োজন শিশুর খাদ্য ও পুষ্টি নিয়ে।  

শিশুর জন্মের পর থেকে ৬ মাস বয়স প`যন্ত শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ থেকেই যাবতীয় পুষ্টি পেয়ে থাকে। ৬ মাস থেকে বুকের দুধের পাশাপাশি অন্যান্য খাবার শুরু করতে হবে। এগুলো দ্রুত শিশুর শারীরিক বিকাশ এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে থাকে। এসব খাবারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু খাবার হলো-

ডিম ঃ প্রোটিনের উৎস হিসেবে ডিমের কথা আমরা সবাই জানি। প্রতি ১০০ গ্রাম ডিমে প্রায় ১৪ গ্রাম প্রোটিন রয়েছে। আর শিশুর ওজন বৃদ্ধিতে প্রোটিনের ভুমিকা অপরিসীম। প্রতিদিনের খাবারে ডিম রাখুন। একটি ডিম প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল, সবকিছুর চাহিদা পূরণ করে থাকে যা শিশুর ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে থাকে

দুধ ঃ বুকের দুধের পাশাপাশি এক বছর বয়স এর পর থেকে শিশুকে গরুর দুধ দেয়া যেতে পারে। এছাড়া গুড়ো দুধও দেয়া যায়। বাজারে যেসব গুড়োদুধ পাওয়া যায় তাদের মধ্যে যাচাই করে অবশ্যই মানসম্মত দুধ নি`বাচন করতে হবে। প্রাকৃতিক প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেটস এর উৎস দুধ। প্রতিদিন দুই গ্লাস দুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করুন। এছাড়া দুধের তৈরি খাবার যেমন পুডিং, মিল্কশেক ইত্যাদি ও বাচ্চাদের জন্য উপকারী।

কলা ঃছয় মাস বয়সের পর থেকে শিশুকে কলা দেওয়া যেতে পারে। কলায় প্রচুর পরিমাণ ফাইবার, পটাশিয়াম, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৬ রয়েছে। যা শিশুর শরীরের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

মিষ্টি আলু ঃ মিষ্টি আলুতে থাকে প্রচুর পরিমাণে  পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন দ্রুত শিশুর ওজন বৃদ্ধি করে।

মুরগীর মাংস ঃ   প্রোটিনের অন্যতম একটি উৎস হলো মুরগির মাংস। এটি পেশী মজবুত করে শিশুর ওজন বৃদ্ধি করে। তবে প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় মুরগির মাংস না রেখে মাছের পাশাপাশি সপ্তাহে এক দুই দিন মুরগির মাংস রাখা যেতে পারে।

কলিজা ঃ কলিজাতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে। আয়রন শিশুর দেহের রক্তকণিকা গঠন ও তার বিকাশের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।

ছোট মাছ ঃ শিশুর দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে ছোট মাছ বিশেষত মলা,ঢেলা ইত্যাদি অত্যন্ত উপকারী।

শাকসবজি ঃ বেশিরভাগ শিশুই শাকসবজি খেতে চায় না। কিন্ত যথাযথ শারীরিক বিকাশের জন্য শাকসবজির কোন বিকল্প নেই। তাই রঙিন শাকসবজি যেমন গাজর,মিষ্টিকুমড়া,টমেটো, বিভিন্ন শাক তাদের জন্য মুখোরোচক উপায়ে তৈরি করে খাওয়ানোর অভ্যাস করতে হবে।

শিশুরা আগামী দিনের ভবিষ্যত। তারা যাতে সুস্থ,সুন্দর ও স্বাভাবিক ভাবে বেড়ে উঠে সেজন্য আমাদের সকলের দায়িত্ব তাদের যথাযথ পুষ্টি নিশ্চিত করা।  

                       

যেকোন শারীরিক সমস্যায় বাসায় ডাক্তার দেখাতে কল করুন 09678 446688  অথবা 01730 222227 নম্বরে। একজন অভিজ্ঞ ডাক্তার আপনার বাসায় পৌছে যাবে ৩০ থেকে ৯০ মিনিটে।

Dr. Farjina Yeasmeen

Dr. Farjina Yeasmeen

I am Dr. Farjina Yeasmeen. I have completed my MBBS under CU. I have experience of working in Gynae and Obstetrics.I have also worked in a renowned garments factory and have experience of dealing with different patients. I am energetic and positive.  

0 Comments.

leave a comment

You must login to post a comment. Already Member Login | New Register